আজকে আমি একটা গল্প বলব। একটা ভালোবাসার গল্প। পুরোটাই কাল্পনিক। তবে
কল্পনা টা যদি বাস্তবতা কে ঘিরে ধরে, দয়া করে আমাকে ছেড়ে দেবেন। তো, শুরু
করি গল্পটা।
ছেলেটা অনেক ভালোবাসতো তাকে। কাকে, জানেন? নাহ, জানেন না। জানবেন কীভাবে!
ছেলেটা অনেক ভালোবাসতো তাকে। কাকে, জানেন? নাহ, জানেন না। জানবেন কীভাবে!
বললাম ই না তো!
ধরে নেই, মেয়েটার নাম বৈশাখী। আর ছেলেটার নাম, মুগ্ধ।
ধরে নেই, মেয়েটার নাম বৈশাখী। আর ছেলেটার নাম, মুগ্ধ।
মুগ্ধ ছেলেটা কে অশান্ত করে তুলতো এই বৈশাখীর প্রতি ভালবাসা। মুগ্ধ সেই
অশান্ত মাথাতেই ভাবত, বৈশাখী ও তাকে অনেক ভালবাসে। আর ওদিকে, মেয়েটা যেন
নিজের নাম কে-ই নিজের বিশ্লেষিতরূপ হিসেবে বৈধ করার চেষ্টায় মত্ত ছিল।
এই ছেলেটা এবং মেয়েটার মধ্যে কিছু একটা রসায়ন চলত। ছেলেটা সেই রসায়ন কে প্রেম বা ভালবাসা বলত, আর মেয়েটা? সেটা ওই মেয়েটাও নিজে জানে নাকি, সেটাও কেউ জানেনা।
বেশ চঞ্চল ছিল মেয়েটা। মুগ্ধ’র ভালবাসাও চঞ্চল ছিল।
মুগ্ধ’র কাছে বৈশাখী ছিল প্রকৃতির মতই সুন্দর। কিন্তু বৈশাখী মেয়েটা ছিল বৈশাখের মত। বৈশাখের মতই সুন্দর, আর বৈশাখের মত ধ্বংসাত্মক।
মুগ্ধ’র সাথে বৈশাখীর ভাবের আদান প্রদান সেই ঋতু’র মতই চলত। কথা নেই বার্তা নেই যখন মুগ্ধ ছেলেটা শান্ত, আর ঠান্ডা তখন তাকে গরম করার জন্য উপস্থিত হতো বৈশাখী। সেই তাপ সহ্য করতে করতে মুগ্ধ অত্যাচারিত হলেও ভালবাসা টা কে তার বেশি শুদ্ধ লাগতো। সেই শুদ্ধ ভালবাসা কে কি সামান্য এই তাপের জন্য ছেড়ে দেবে সে?
নাহ, ভুলেও না! কারণ, সে যে বৈশাখী কে ভালবাসে!
মুগ্ধ’র কাছে বৈশাখী ছিল প্রকৃতির মতই সুন্দর। কিন্তু বৈশাখী মেয়েটা ছিল বৈশাখের মত। বৈশাখের মতই সুন্দর, আর বৈশাখের মত ধ্বংসাত্মক।
মুগ্ধ’র সাথে বৈশাখীর ভাবের আদান প্রদান সেই ঋতু’র মতই চলত। কথা নেই বার্তা নেই যখন মুগ্ধ ছেলেটা শান্ত, আর ঠান্ডা তখন তাকে গরম করার জন্য উপস্থিত হতো বৈশাখী। সেই তাপ সহ্য করতে করতে মুগ্ধ অত্যাচারিত হলেও ভালবাসা টা কে তার বেশি শুদ্ধ লাগতো। সেই শুদ্ধ ভালবাসা কে কি সামান্য এই তাপের জন্য ছেড়ে দেবে সে?
নাহ, ভুলেও না! কারণ, সে যে বৈশাখী কে ভালবাসে!
কটা
দিন যেতে না যেতেই, যখন মুগ্ধ তাপের সাথে নিজেকে সহনশীলতার এক সুন্দর
পর্যায়ে নিয়ে যায়, তখন বৈশাখীর ভিন্নরূপ আসে। অনলি অবিরল বৃষ্টিধারা ইজ
রিয়েল। দিন রাত শুধু বৃষ্টি আর বৃষ্টি। মুগ্ধ ছেলেটা কিছু বলতেও পারেনা।
নতুন করে বৃষ্টিধারা কে আপন করে নিতে হবে, শুধু সে চিন্তাই তার মাথায় আসে।
কখন ও তার মনে হয় না যে, সে সেই তাপের সাথে ভাল ছিল।
এবার সে নিজের সেই স্বাচ্ছন্দের জায়গা টা কে পরিবর্তন করার জন্য উঠে-পড়ে লাগে।
আবার কেটে যায় কয়েকটা দিন। বৃষ্টি উপেক্ষা করেও বৈশাখীর ছোঁয়া পেতে মুগ্ধ ছেলেটা রেইন কোট পড়া শুরু করে। ভালবাসার জন্য সবকিছু করতেই সে রাজি। বৈশাখীর কাছে থাকতে চায়। তাই গায়ে রেইনকোট আর মাথায় ছাতা আর মনে ভালবাসা নিয়ে সে মুগ্ধ হয়ে বৈশাখীর দিকেই তাকিয়ে থাকে।
আবার কেটে যায় কয়েকটা দিন। বৃষ্টি উপেক্ষা করেও বৈশাখীর ছোঁয়া পেতে মুগ্ধ ছেলেটা রেইন কোট পড়া শুরু করে। ভালবাসার জন্য সবকিছু করতেই সে রাজি। বৈশাখীর কাছে থাকতে চায়। তাই গায়ে রেইনকোট আর মাথায় ছাতা আর মনে ভালবাসা নিয়ে সে মুগ্ধ হয়ে বৈশাখীর দিকেই তাকিয়ে থাকে।
কদিন পরে আবারো রোদ। কিন্তু ততদিনে মুগ্ধ’র স্বাচ্ছন্দে পরিণত হয়েছিল বৃষ্টিধারা। আবার ও নিজেকে পরিবর্তন করতে হবে? হ্যাঁ হবেই তো!
সে বৈশাখী কে নিজের সাথে আজীবন রেখে দেয়ার জন্য সব রকমের প্রস্তুতি নিয়ে ফেলে। রোদ উঠলে নিজেকে ঠান্ডা করার ব্যবস্থা, বৃষ্টি নামলে ছাতা বা রেইন কোট, চারপাশ ঠান্ডা হলে কম্বল আর লেপ – কোনো কিছুই বাকি রাখলো না। বৈশাখী’র সকল রূপেই বৈশাখী কে মেনে নিতে প্রস্তুত সে।
তাতে মুগ্ধ যত কষ্টই পাক না কেন! বৈশাখী কে সে সাথে রাখবেই। আর তার জন্য নিজেকে এত ভাবে ভাঙল-গড়লো।
সে বৈশাখী কে নিজের সাথে আজীবন রেখে দেয়ার জন্য সব রকমের প্রস্তুতি নিয়ে ফেলে। রোদ উঠলে নিজেকে ঠান্ডা করার ব্যবস্থা, বৃষ্টি নামলে ছাতা বা রেইন কোট, চারপাশ ঠান্ডা হলে কম্বল আর লেপ – কোনো কিছুই বাকি রাখলো না। বৈশাখী’র সকল রূপেই বৈশাখী কে মেনে নিতে প্রস্তুত সে।
তাতে মুগ্ধ যত কষ্টই পাক না কেন! বৈশাখী কে সে সাথে রাখবেই। আর তার জন্য নিজেকে এত ভাবে ভাঙল-গড়লো।
আবার কিছু দিন গেলো। এত দিন মুগ্ধ বৈশাখীর সহনীয় সৌন্দর্যগুলো দেখেছে।
এবারে ছিল কালবোশেখী ঝড়ের পালা। এক ঝড়েই মুগ্ধ’র সবকিছু ধ্বংস করে দেয়
বৈশাখী। বৈশাখী’র চলে যাওয়ার প্রস্তুতি ছিল এই ঝড়টা। কিন্তু মুগ্ধ, তারপরেও
তাকে টেনে রাখতে চায়।
ধ্বংস তার চোখে পড়েনা, তার চোখে পড়ে
বৈশাখী’র চলে যাওয়ার ইচ্ছা। সেটা কি সে পারবে মেনে নিতে? মাথা খারাপ!?
অসম্ভব! কারণ সে যে বৈশাখী কে ভালবাসে!
সব কিছু মেনে নিয়েছে মুগ্ধ। নতুন ভাবে নিজেকে তৈরি করেছে। বৈশাখীর জন্য।
কিন্তু একদিন, বৈশাখী চলে গেলো। ঋতু তো চলে যাবার জন্যেই আসে। মুগ্ধ এখন ও অপেক্ষায় আছে। সামনের বছর বৈশাখী আবার আসবে। না না, বৈশাখী তাকে ছেড়ে চলে যায়নি। হয়তবা সে রাস্তায় কোথাও আটকে আছে। সে মুগ্ধর কাছেই ফিরে আসবে। বিশ্বাস মুগ্ধ’র।
অনেক বিশ্বাস করে সে বৈশাখী কে। সে জানে, বৈশাখী ফিরে এলে ঠিক একই রকম ঘটনা আবার ঘটবে।
কিন্তু একদিন, বৈশাখী চলে গেলো। ঋতু তো চলে যাবার জন্যেই আসে। মুগ্ধ এখন ও অপেক্ষায় আছে। সামনের বছর বৈশাখী আবার আসবে। না না, বৈশাখী তাকে ছেড়ে চলে যায়নি। হয়তবা সে রাস্তায় কোথাও আটকে আছে। সে মুগ্ধর কাছেই ফিরে আসবে। বিশ্বাস মুগ্ধ’র।
অনেক বিশ্বাস করে সে বৈশাখী কে। সে জানে, বৈশাখী ফিরে এলে ঠিক একই রকম ঘটনা আবার ঘটবে।
এ যে এক চক্র! এই চক্র তো ঘুরবেই!
আর সেই চক্রের চক্রান্তে আক্রান্ত হতে মুগ্ধ একদম প্রস্তুত। তার কোনো আফসোস থাকবেনা। কারণ, সে যে বৈশাখী কে ভালবাসে!
তারিখঃ ১৬ই এপ্রিল, ২০১৭
No comments:
Post a Comment